আয়াতুল কুরসি- আরবী উচ্চারণ ও বাংলা অর্থসহ

আস্সালামু আলাইকুম, প্রিয় পাঠক আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়, পবিত্র কোরআনুল করিমের শ্রেষ্ট আয়াত যা আয়াতুল কুরসি নামে পরিচিত। আমরা আজকে আলোচনা কবর আয়াতুল কুরসি কি? কেনই বা এই আয়াতের এত মর্যাদা, এই আয়াত পাঠের ফজিলত ও গুরুত্ব নিয়ে। আয়াতুল কুরসি- আরবী উচ্চারণ ও বাংলা অর্থসহ তুলে ধরা হলো।

আয়াতুল কুরসী। Ayatul Kursi

পবিত্র কুরআন মাজিদের ২য় সূরা, সূরা আল বাকরার ২৫৫ নম্বর আয়াতটি Ayatul kursi (আয়াতুল কুরসি) নামে পরিচিত। এই আয়াতটি অধিক ফজিলতপূর্ণ। পবিত্র কুরআন মাজিদের শ্রেষ্ঠ আয়াত হলো এই আয়াতটি। এ আয়াতটি পাঠের মাধ্যমে অনেক অনেক ফজিলত ও পূর্ণ হাসিল করা সম্ভব। আয়াতুল কুরসি তে আল্লাহ তায়ালার ৮ টি সিফাত অথাৎ গুনাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।

একদা আবু জর জুনদুব ইবনে জানাদাহ (রা:) রাসূল (সা:)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সা:) আপনার প্রতি সবচেয়ে মর্যাদা সম্পন্ন কোন আয়াতটি নাজিল হয়েছে? নবী করিম (সা:) বলেছিলেন, আয়াতুল কুরসী।

আয়াতুল কুরসি 

اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الْحَـىُّ الْقَيُّوْمُ  لَا تَاْخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوْمٌ‌ؕ  لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْاَرْضِ‌ؕ  مَنْ ذَا الَّذِىْ يَشْفَعُ عِنْدَهٗۤ اِلَّا بِاِذْنِهٖ‌ؕ  يَعْلَمُ مَا بَيْنَ اَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ‌ۚ  وَلَا يُحِيْطُوْنَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهٖۤ اِلَّا  بِمَا شَآءَ ۚ  وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ‌‌ۚ  وَلَا يَـــُٔوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ‌ۚ وَ هُوَ الْعَلِىُّ الْعَظِيْمُ

আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ

আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাঊম। লাহূ মা ফিস্ সামা-ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্বি। মানযাল্লাযী ইয়াশফাউ’ ই’ন্দাহূ ইল্লা বিইজনিহি। ইয়া’লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহিতূনা বিশাইয়্যিম্ মিন ‘ইলমিহি ইল্লা বিমা শা-আ’ ওয়াসিআ’ কুরসিইয়্যুহুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, ওয়ালা ইয়াউ’দুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়্যুল আ’জিম। (সূরা আল-বাক্বারা আয়াত- ২৫৫)।

আয়াতুল কুরসি বাংলা অনুবাদ

আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে (আল্লাহকে) তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না। আসমান ও জমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর (আল্লাহর) কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি (আল্লাহ) জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বপেক্ষা মহান।

আয়াতুল কুরসী (PDF) ডাউনলোড

নিচের লিংক থেকে pdf  ডাউনলোড করুন

Ayatul Kursi

আরবী উচ্চারণ ও বাংলা অর্থসহ আয়াতুল কুরসি

‎اَ۬للَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ اَ۬لۡحَىُّ اَ۬لۡقَيُّومُ 
আল্‌-লাহু লা ’ইলাহা ’ইল্‌-লা হু(ওয়া) আল্‌-হাই-য়ু ল্‌-কাই-য়ুম্‌(উ)
তিনি (আল্লাহ) ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী।

لَا تَاخُذُهُۥ سِنَةٌ وَلَا نَوۡمٌ ‎
লা তাখুযুহু সিনাতুঁ ও্‌-ওয়ালা নাউম্‌(উঁ)
তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না ও নিদ্রাও নয়।

لَّهُۥ مَا فِى اِ۬لسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلَارۡضِ ‎
লাহু মা ফি স্‌-সামাওয়াতি ওয়ামা ফি লার্‌দ্‌(ই)
আকাশ ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, সবকিছু তাঁরই।

مَن ذَا اَ۬لَّذِى يَشۡفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذۡنِهِۦ ‎
মাঁ যা ল্‌-লাযি ইয়াশ্‌ফা‘উ ‘ইন্‌দাহু ’ইল্‌লা বি’ইয্‌নিহ্‌(ই)
কে আছে এমন যে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া সুপারিশ করবে?

يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ أَيۡدِيهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُمۡ ‎
ইয়া‘লামু মা বাইনা ’আইদিহিম্‌ ওয়ামা খাল্‌ফাহুম্‌
তাঁদের সামনে কী আছে ও পিছনে কী আছে তিনি (আল্লাহ) তা জানেন

وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ‎
ওয়ালা ইয়ুহিতুনা বিশা’ই ম্‌-মিন্‌ ‘ইল্‌মিহি ’ইল্‌-লা বিমা শা’(আ)
এবং তিনি যা ইচ্ছা করেন তা ছাড়া তাঁরা তাঁর (আল্লাহর) জ্ঞানের কিছুই আয়ত্ব করতে পারে না।

وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ اَ۬لسَّمَٰوَٰتِ وَٱلَارۡضَ ‎
ওয়াসি‘আ কুর্‌সিই-ইয়ুহু স্‌-সামাওয়াতি ওয়ালার্‌দ্‌ (আ)
র কুরসি[খ] আকাশ ও পৃথিবীকে পরিবেষ্টিত করেছে এবং

وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفۡظُهُمَا ‎
ওয়ালা ইয়া’উদুহু হিফ্‌যুহুমা
সেগুলো সংরক্ষণ করতে তাঁর কষ্ট হয় না।

* وَهُوَ اَ۬لۡعَلِىُّ اَ۬لۡعَظِيمُ ‎
ওয়াহুওয়া ল্‌-‘আলিই-ইয়ু ল্‌-‘আযিম্‌(উ)
এবং তিনিই সর্বোচ্চ ও সর্বমহান।”

সংক্ষিপ্ত আলোচনা

আয়াতুল কুরসির প্রথমদিকে বলা হয়েছে যে, একমাত্র আল্লাহ তায়ালা ছাড়া কোনো আর কোন উপাস্য বা ইবাদাতের যোগ্য কেউ নেই। এরপর আল্লাহর গুণাবলি বর্ণনা করা হয়েছে। اَلْـحَيُّ শব্দের মাধ্যমে বলা হয়েছে যে, তিনি সর্বদা জীবিত (চিরঞ্জীব)। قَيُّوْمُ শব্দের অর্থ দুটি অর্থ, একটি হচ্ছে চিরস্থায়ী, আরেকটি হচ্ছে, সবকিছুর ধারক, অর্থাৎ তিনি নিজে বিদ্যমান থেকে অন্যকে ও বিদ্যমান রাখেন অর্থ্যৎ নিয়ন্ত্রণ করেন। অতঃপর বলা হয়েছে তাকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না, অর্থাৎ মহাবিশ্বের নিয়ন্ত্রণ তাকে ক্লান্ত করে না।

পরের অংশে বলা হয়েছে, আল্লাহ তায়ালা আকাশ ও জমিনের সবকিছুর মালিক এবং তিনি যা কিছু করেন তাতে কারও আপত্তি করার কোন সুযোগ নেই। তাঁর (আল্লাহর) অনুমতি ছাড়া তার কাছে সুপারিশ করার ক্ষমতা ও কারো নেই। আরও বলা হয়েছে, আল্লাহ অর্গ্রে-পশ্চাৎ যাবতীয় অবস্থা ও ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত। আল্লাহ যাকে যে পরিমাণ জ্ঞান দান করেন সে শুধু ততটুকুই পায়। পরের অংশে বলা হয়েছে তাঁর কুরসি তথা সিংহাসন এতই বড় যে, তা সমগ্র আকাশ ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে রেখেছে। এ ২ টি বৃহৎ সৃষ্টি এবং আকাশ মণ্ডল ও পৃথিবীর রক্ষণা-বেক্ষণ করা তাঁর (আল্লাহর) জন্য সহজ। শেষ অংশে আল্লাহকে “সুউচ্চ ও সুমহান” বলা হয়েছে।

আয়াতুল কুরসী পঠের ফজিলত

ক.  প্রাণপ্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার মৃত্যুর সময় সহজ ভাবে জান কবজ করা হবে।

খ. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সুরা বাকারার মধ্যে এমন একটি আয়াত রয়েছে, যে আয়াতটি পুরো কোরআনের নেতা স্বরূপ। তা পাঠ করে ঘরে প্রবেশ করলে সেই ঘর থেকে শয়তান বের হয়ে যায়। তা হলো ‘আয়াতুল কুরসি’। (মুসনাদে হাকিম)

গ. হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, যারা পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাযের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তাদের জন্যে জান্নাতে যাওয়াতে মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাধা থাকবে না। অর্থাৎ মৃত্যুর সাথে সাথেই সেই ব্যক্তি আল্লাহর জান্নাতের শান্তি উপভোগ করতে থাকবে।

ঘ. হাদিস শরীফে আছে, যে ব্যক্তি ঘুমানোর আগে একাগ্রচিত্তে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, আল্লাহ ঔ ব্যক্তির মাথার কাছে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দিবেন এবং সে ফেরেশতা সারা রাত তাকে পাহারা দিবে এবং দুষ্ট জীন ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবে।

ঙ. রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আয়াতুল কুরসি পাঠ করে তার ধন-সম্পতিতে ফুঁ দিয়ে দেয় তাহলে তার ওই সম্পদ  চুরি হওয়ার সম্ভবনা নেই।

চ. যারা প্রতিনিয়ত আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে আল্লাহ তাদের জান্নাতের আটটি দরজার সবগুলো দিয়ে প্রবেশ করার সুযোগ দিবেন।

আরও পড়ুন: দোয়া কুনুত- আরবি উচ্চারণ ও বাংলা অর্থসহ

হাদীসে আয়াতুল কুরসির গুরুত্ব

১। উবাই ইবনে কাব (রা:) থেকে বর্ণিত, হযরত নবী মুহাম্মদ (সা:) তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘তোমার কাছে কুরআনে কোন আয়াতটি সর্বমহান?’ ইবনে কাব উত্তরে বললেন বলেছিলেন, ‘’আল্-লাহু লা ’ইলাহা ’ইল্‌-লা হু ওয়া ’আল্‌-হাই-য়ু ল্‌-কাই-য়ুম্‌…’ (আয়াতুল কুরসির প্রথমাংশ)। তারপর নবি মুহাম্মাদ নিজ হাত দ্বারা ইবনে কাবের বুকে [হালকা] আঘাত করে বলেন: ‘আবুল মুনযির (ইবনে কাব)! তোমার জ্ঞান আনন্দদায়ক হোক’।

২। “ইবনুল আসকার মুক্ত দাস থেকে ইবনুল আসকার সূত্রে বর্ণিত, তিনি ইবনুল আসকাকে বলতে শুনেছেন, নবি মুহাম্মাদ মুহাজিরদের (হিজরত করে মক্কা থেকে যারা মদিনায় গিয়েছিলেন) আঙিনায় তাঁদের নিকট আসলেন। তখন এক ব্যক্তি হযরদ মোহাম্মদ (সা:) কে প্রশ্ন করলো, কুরআনের কোন আয়াতটি সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ? নবি মুহাম্মাদ বলেন, ‘’আল্-লাহু লা ’ইলাহা ’ইল্‌-লা হু ওয়া ’আল্‌-হাই-য়ু ল্‌-কাই-য়ুম্‌…’ (আয়াতুল কুরসির প্রথমাংশ)।

৩। মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল কর্তৃক বর্ণিত যে, হুমায়দাহ আল-বারিকী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ হতে বলেন, “আল্লাহ্ আকাশ ও পৃথিবীতে আয়তুল কুরসি অপেক্ষা সু-মহান আর কিছু সৃষ্টি করেন নি।”

আল্লাহ্‌র আটটি সিফাত অথাৎ গুন

১ম সিফাত: আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। তিনি চিরস্থায়ী ও চিরঞ্জীব, আল্লাহ একজনই। তার কোনো শরীক নেই, অংশীদার নেই। তার মত বা তার সমকক্ষ কেউ নেই। তার সিংহাসন থেকে তিনি আসমান জমিন নভোমন্ডল, ভুমন্ডল সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ করেন।

২য় সিফাত:  আল্লাহকে ঘুম অথবা তন্দ্রা কিছুই স্পর্শ করে না।

৩য় সিফাত: আকাশ ও জমিনে যা কিছু আছে সবাই আল্লাহর প্রশংসা করছে। বিশেষ করে যে পাখিরা দু’পাখা মেলে শুন্যে উড্ডীন হয়, তারাও আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করে এবং তারা আল্লাহর জন্যে সালতাহু সালাত আদায় করে।

৪র্থ সিফাত: এমন কে আছে আল্লাহর অনুমুতি ছাড়া তার কাছে সুপারিশ করতে পারে? সকল সফায়েতের চাবিকাঠি আল্লাহর হাতে। চেইলে যে কেউ সুপারিশ করতে পারবে না।

৫ম সিফাত: দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান সকল বিষয় আল্লাহ অবগত আছেন। চোখের চুরি এবং অন্তরের গোপন কথাও আল্লাহ জানেন। দুনিয়ায় মানুষের চোখে ফাঁকি দেওয়া গেলেও আল্লাহ্‌র কাছ থেকে ফাঁকি দেওয়া অসম্ভব।

৬ষ্ঠ সিফাত: আল্লাহ যতটুকু ইচ্ছা করেছেন ততটুকুই জ্ঞান আমাদের দান করেছেন। এর বাইরে কোনো জ্ঞান আমাদেরকে দেওয়া হয় নি। সমস্ত জ্ঞান ভান্ডারের মালিক হলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন।

৭ম সিফাত: আল্লাহর সেই কুরসী যা আসমান ও জামিন পরিবেষ্টন করে রেখেছে। সুতরাং আমরা সবাই আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে বসবাস করছি।

৮ ম সিফাত: তিনি এই পৃথিবীর সবকিছু পরিচালনা করতে কখনো ক্লান্ত হয়ে যান না। অর্থাৎ আকাশ ও জামিন থেকে শুরু করে নভোমণ্ডল ভূমণ্ডল যা কিছু আছে তা পরিচালনা করতে গিয়ে আল্ললাহ  কখনও ক্লান্ত হয়ে যান না।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দোয়া

ঋণ পরিশোধের দোয়া, ঋণ মুক্তির দোয়া

নামাজের সকল দোয়া সমূহ। নামাজের তাসবীহ ও দোয়া সমূহের অর্থ

শেষ কথা

আল্লাহ্‌ আমাদেরকে আয়াতুল কুরসি (ayatul kursi) মুখস্ত এবং নিয়মিত পাঠ করার তাওফিক দান কারুন এবং এর গুরুত্ব অনুধাবন করে আমাদের জীবন গড়ার তাওফিক দান কারুন। আর তাই আমাদের সকলের উচিত বেশি বেশি আয়াতুল কুরসী পড়া। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া যেন আল্লাহ্‌ তা-আলা আমাদের সকল গুনাহ মাপ করেন। (আমিন)