শ্রীমঙ্গল দর্শনীয় স্থান, হোটেল ও রিসোর্ট

শ্রীমঙ্গল দর্শনীয় স্থান, হোটেল ও রিসোর্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। শ্রীমঙ্গল ভ্রমন পিপাসু মানুষের প্রথম পছন্দের একটি নাম। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাটির পরিবেশ অত্যান্ত নিরিবিলি, চমৎকার চমৎকার সব উঁচু নিচু টিলা, সবুজ লতা-পাতায় ঘেরা বনভূমি, যতদূর চোঁখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ, সাথে আঁকা-বাঁকা পাহাড়ি রাস্তা পরিবেশকে আরোও সুন্দর করে তুলেছে। শ্রীমঙ্গলের বিস্তীর্ণ পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত উপজাতি জনগোষ্ঠী খাসিয়া, মণিপুরী, ত্রিপুরা ও গারোদের জীবনাচার, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কারণেও এ অঞ্চলের নাম অনেকের কাছে সুপরিচিত। চা শিল্পে শ্রীমঙ্গলের সুনাম বিশ্বব্যাপি। ভ্রমন পিপাসু মানুষের শ্রীমঙ্গল আসলে চা পাতার প্রেমে পড়ে চা পাতা কিনে নিয়ে যান।

নয়নাভিরাম প্রাকৃতির দৃশ্য ভরা এ শ্রীমঙ্গলে রয়েছে ৪২৫ দশমিক ১৫ বর্গমিলোমিটার আয়তনের এ জনপদের সাথে রেল ও সড়কপথের যোগাযোগ রয়েছে দেশব্যাপি। শ্রীমঙ্গলে রয়েছে চা বাগান, রাবার বাগান, লেবু বাগান, আনারস, কাঠাল, লিচু বাগান, পান পুঞ্জি, তার সাথে রয়েছে বানর, বন্য হরিণ, মেছো বাঘ, দেশের সবচেয়ে বড় বড় অজগর সাপসহ নানা প্রজাতির বন্য প্রাণী, রয়েছে বিরল প্রজাতির গাছপালা।

প্রকৃতির মনোরম পরিবেশের শ্রীমঙ্গলে দেখারমত আছে চা বাগানের পর চা বাগান, চা প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র, লাউয়াছড়া রেইনফরেস্ট, মাগুরছড়া গ্যাসকূপ, চা গবেষণা কেন্দ্র, লাউয়াছড়া ইন্সপেকশন বাংলো, খাসিয়াপুঞ্জি, মণিপুরীপাড়া, ডিনস্টন সিমেট্রি, হিন্দুধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান নির্মাই শিববাড়ি, টি-রিসোর্ট, ভাড়াউড়া লেক, পাহাড়ি ঝর্ণা, শীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা, চারদিকে প্রকৃতির নজরকাড়া সৌন্দর্য আর হাজারো প্রজাতির গাছ-গাছালি। শ্রীমঙ্গলের পাদদেশে অবস্থিত এককালে বৃহত্তর সিলেটের মৎস্য ভান্ডার বলে খ্যাত ‘হাইল-হাওর এবং শীতের শুরুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ঝাঁকে ঝাঁকে শীতের পাখি। সারা বছর দেশ বিদেশের পর্যটকে মুখরিত থাকে শ্রীমঙ্গল।

শ্রীমঙ্গলে কি কি আছে

শ্রীমঙ্গল উপজেলার দর্শনীয় স্থান হচ্ছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বধ্যভূমি-৭১, চা বাগান, টি রিসোর্ট, মোহাজেরাবাদ লেবু বাগান, আনারস বাগান, শ্রীমঙ্গল চা জাদুঘর, ডিনস্টন সিমেট্রি, চাকন্যা ভাস্কর্য, নির্মাই শিববাড়ি, নিসর্গ ইকো রিসোর্ট, দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা, বর্ষীজোড়া ইকোপার্ক, লাসুবন গিরিখাত, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ, নীলকন্ট টি কেবিনের সাতরঙের চা, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, ব্রিটিশ আমলে চা-বাগানগুলোতে ব্যবহূত বিভিন্ন সামগ্রী, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণি সেবা ফাউন্ডেশন, গ্র্যান্ড সুলতান রিসোর্ট এন্ড গলফ, লেমন গার্ডেন, জান্নাতুল ফেরদাউস মসজিদ, বিটিআরআই, সিতেশবাবুর মিনি চিড়িয়াখানা,মাধবপুর লেক, ভাড়াউড়া লেক,রাজঘাট লেক, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, হামহাম জলপ্রপাত, যজ্ঞ কুন্ডের ধারা, মাগুরছড়া পরিত্যক্ত গ্যাসকূপ, খাসিয়াপুঞ্জি, টিপরা পল্লি, গারো পল্লি, মণিপুরী পাড়া, বার্নিস টিলা, বাদুর বাড়ি, পাখি বাড়ি, গলফ কোর্স, লালমাটি পাহাড়, রাবার বাগান, হাইল হাওর, বাইক্কা বিল উল্লেখযোগ্য।

বাইক্কা বিল
বাইক্কা বিল

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শ্রীমঙ্গলের দূরত্ব

ঢাকা থেকে শ্রীমঙ্গল থেকে ২শত কি মি দূরে, সিলেট শহর থেকে ৬০ কি. মি, মৌলভীবাজার জেলা সদর থেকে ২০ কি.মি দূরে অবস্থিত।

শ্রীমঙ্গলের আয়তন

শ্রীমঙ্গলের আয়তন ১৮৪.২৯ বর্গ কিলোমিটার (৭১.১৫ বর্গমাইল) অঞ্চল অর্থাৎ ৪৩.৩৪% ই চা-বাগান অধ্যুষিত অঞ্চল। পাহাড়, রেইন ফরেস্ট, হাওর আর সবুজ চা বাগান রয়েছে এ অঞ্চলে। দেশের ১৬৩টি চা বাগানের মধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় রয়েছে ৪০ টি চা বাগান।

শ্রীমঙ্গলের অবস্থান

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় দুইশত কিলোমিটার দূরত্বে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার সদর উপজেলা থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা, ২০৫ টি গ্রামসহ ৪২৫.১৫ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত শ্রীমঙ্গল উপজেলা। শ্রীমঙ্গল উপজেলার উত্তরেদিকে মৌলভীবাজার সদর উপজেলা, দক্ষিণদিকে ভারতের ত্রিপুরা, পূর্বদিকে কমলগঞ্জ উপজেলা, পশ্চিমদিকে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলা ও বাহুবল উপজেলা।

এ অঞ্চলে দেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের পরেও বন্যা হয় না। বন্যা না হওয়ার কারণ এখানে বড় কোন নদী নাই। যে কয়েকটি নদী রয়েছে তা অত্যান্ত ছোট ছোট উপনদী যেমন (বিলাস নদী, গোপলা নদী) তা থেকে বন্যা হওয়ার কোন আশংখ্যা থাকে না। বন্যা না হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে শ্রীমঙ্গল উপজেলাটি একটি পাহাড়ি এলাকা। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সবচেয়ে বড় নদী মনু নদীর দূরত্ব ২০ কিলোমিটার দূরে। যা অনেক নিচু ভূমিতে অবস্থিত।

শ্রীমঙ্গল নামকরণের ইতিহাস

দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ, চা শিল্পের জন্য শ্রীমঙ্গলের সুনাম ও পরিচিতি বিশ্বব্যাপি। শ্রীমঙ্গল শহরের নামকরণ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস হচ্ছে, দু’শ বছরের প্রাচীন শ্রীমঙ্গল শহরের নামকরণ নিয়ে ভিন্ন-ভিন্ন ইতিহাস শোনা গেলেও রেকর্ডে লিখা আছে- ‘শ্রীদাস’ ও ‘মঙ্গলদাস’ নামে ২ জন লোক প্রথমে এসে এখানে হাইল-হাওরের তীরে বসতি স্থাপন করেছিলেন। এ দু’ভাইয়ের নামানুসারে শ্রীমঙ্গল নামকরণ করা হয় এ এলাকাটি। অন্যান্য তথ্য থেকে জানা যায়, শ্রীমঙ্গল শহরের অদূরে ‘মঙ্গলচন্ডী’ দেবতার একটি স্থলী ছিল, তার নামানুসারে ‘শ্রীমঙ্গল’ নামকরণ করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল যাতায়াত

শ্রীমঙ্গল দর্শনীয় স্থানে যাতায়োতের জন্য ঢাকাসহ সারাদেশের সাথে শ্রীমঙ্গলের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই ভালো। আপনি আন্তনগর ট্রেন, বাস, কিংবা প্রাইভেট গাড়ী করে খুব সহজে অল্প সময়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে শ্রীমঙ্গল ভ্রমন করতে পারেন। ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তনগর ট্রেন সকাল ৬.২০ মিনিটে পারাবত এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার বন্ধ), প্রতিদিন দুপুর ১১.১৫ মিনিটে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, প্রতিদিন বিকাল ৩.০০ টায় কালনী এক্সপ্রেস (শুক্রবার বন্ধ), প্রতিদিন রাত ৮.৩০ মিনিটে উপবন এক্সপ্রেস যাওয়া আসা করে। শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে সবগুলো ট্রেন থামানো হয়। আসন ভেদে ভাড়া ২৪০ টাকা থেকে ৮২৮ টাকা পর্যন্ত । ঢাকা থেকে শ্রীমঙ্গল আসতে ৪.১০ মিনিটের মতো সময় ব্যয় হবে।

তাছাড়া ঢাকা ফকিরাপুল ও সায়দাবাদ থেকে, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, এনা ট্রান্সপোর্ট, সিলেট এক্সপ্রেস, মামুন সহ ভালো মানের এসি নন এসি বাস চলাচল করে। আপনি চাইলে বাসে করে শ্রীমঙ্গল আসতে পারেন।

চট্রগ্রাম থেকেও ট্রেনে করে শ্রীমঙ্গল দর্শনীয় স্থান, হোটেল ও রিসোর্ট এ আসা যায়। সকাল ৭.২০ মিনিটে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস, রাত ৯.৪৫ মিনিটে উদয়ন এক্সপ্রেস চলাচল করে। আসন ভেদে ভাড়া ৩০০ টাকা থেকে ১০২৪ টাকা পর্যন্ত । চট্রগ্রাম থেকে শ্রীমঙ্গল আসতে ৬.৪০ মিনিটের মতো সময় ব্যয় হতে পারে।

সিলেট থেকে শ্রীমঙ্গলের বাসের ভাড়া যথাক্রমে ২৩৫ টাকা (শ্রীমঙ্গল) এবং সিলেট-হবিগঞ্জ পথে গাড়ির ভাড়া ২৭৭ টাকা। তবে শীতকালে সিলেট-হবিগঞ্জ পথের এসি বাসের ভাড়া হবে ১৮০ টাকা এবং মৌলভীবাজার ১৪০ ও শ্রীমঙ্গলে ১৮০ টাকা।

শ্রীমঙ্গল আসার পর সি এন জি, বাস, মিনিবাস, ট্যাক্সি, অটোরিক্সায় চড়ে পর্যটন এলাকাগুলোতে যাওয়া যায়। গাড়ীতে উটার আগে ভাড়া কনফার্ম করে নিন।

শ্রীমঙ্গল থাকার জন্য রয়েছে সু-ব্যবস্থা

শ্রীমঙ্গল শহরে অনেকগুলো ছেটো বড় হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। প্রাসাদসম রিসোর্ট যেমন আছে ঠিক তেমনই সুলভ বাজেটের কিছু ছোট ছোট রিসোর্টও আছে। রয়েছে অনেক ছোট বড় আবাসিক হোটেল। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ

সিলেট বিভাগ তথা বাংলাদেশের অন্যতম পাঁচ তারকা মানের রিসোর্ট গুলোর মধ্যে গ্র্যান্ড সুলতান একটি। এর ভিতর রয়েছে অত্যাধুনিক সব সুযোগ সুবিধা। শ্রীমঙ্গল দর্শনীয় স্থান, হোটেল ও রিসোর্ট ভ্রমন পিপাসুদের গ্র্যান্ড সুলতান রিসোর্ট এন্ড গলফ পছন্দের শীর্ষে। বিদেশী পর্যটকরা শ্রীমঙ্গল ভ্রমনে আসলে থাকার জন্য গ্র্যান্ড সুলতানকেই বেছে নেন। তবে গ্র্যান্ড সুলতানে থাকার ব্যয়টা একটু বেশিই। সর্বনিম্ন রুম ভাড়া কিং ডিলাক্স ২৪,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ রুম ভাড়া প্রেসিন্সিয়াল সুইট ৭৮,০০০ টাকা। তবে বিভিন্ন উপলক্ষ থাকলে রুম ভাড়ার উপর ডিসকাউন্ট থাকে।
যোগাযোগের ঠিকানা
Tel: +8802997738501-3
For Reservation: +8809678785959/+8801730793501-4
For Corporate or Group Event: +8801730793555

Corporate Office
Tel: +8809678782929
Website: www.grandsultanresort.com

গ্র্যান্ড সুলতান রিসোর্ট এন্ড গলফ
গ্র্যান্ড সুলতান রিসোর্ট এন্ড গলফ

নভেম ইকো রিসোর্টে

একেবারেই নিরিবিলি পরিবেশে ছোট্ট দুটো টিলার উপর গড়ে তোলা হয়েছে এই রিসোর্ট। প্রায় তিন একর জায়গা নিয়ে গড়ে ওঠা এই রিসোর্টের আছে সুইমিংপুলসহ অত্যাধুনিক প্রায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। বর্তমানে শ্রীমঙ্গলের বিখ্যাত বিখ্যাত সব রিসোর্টগুলোর মধ্যে নভেম ইকো রিসোর্ট ভ্রমন পিপাসুদের নিকট অন্যতম। এই রিসোর্টের যে কোন একটি রুম ভাড়া নিতে হলে ৫৫০০ টাকা থেকে ২০৫০০ টাকা পর্যন্ত।

যোগাযোগের ঠিকানা:
Phone: +880-1709882001 Or +880-1709882000
WhatsApp: +880-1709882000
Email: sales@novemecoresort.com
Web: www.novemecoresort.com

 লেমন গার্ডেন রিসোর্ট

ভ্রমন প্রিয় মানুষ অথবা হানিমুনের জন্য আদর্শ জায়গা লেমন গার্ডেন রিসোর্ট। দর্শনার্থীদের লেমন গার্ডেন রিসোর্টে প্রবেশ মূল্য ৩০০ টাকা। এবং রুম ভাড়া কাপল রুম ৩৬০০ আর ফ্যামিলি রুম নিতে গুনতে হবে ৭২০০ টাকা।

যোগাযোগের ঠিকানা:
মোবাইল নম্বর: +৮৮০১৭৯৬-২৬৩৩৩০, +৮৮০১৭৬৩-৫৫৫০০০, +৮৮০১৭৫৮-৭৭১৪৯২
অফিসিয়াল ওয়েব সাইট: www.lemongardenresort.com.bd
ই-মেইল নং: info@lemongardenresort.com.bd

লেমন গার্ডেন রিসোর্ট
লেমন গার্ডেন রিসোর্ট

দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা

দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা, এতে হোটেল ও ভিলা নামের ২ ধরনের রুম চালু আছে। ভিলায় এক রাত কাটাতে শ্রেনীভেদে নুন্যতম ১৬,২০০টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হবে। আর হোটেল ক্যাটাগরির রুম এক রাতের জন্য বুকিং দিতে শ্রেনী ভেদে নূন্যতম ৯,৬০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১২,০০০ টাকা খরচ করতে হবে।

যোগাযোগের ঠিকানা:
ফোন নম্বর +৮৮০৮৬১৬৪১০০
মোবাইল নম্বর: ০১৬১৭-০০৫৫১১
ই-মেইল : rsvn@dusairesorts.com
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট : www.dusairesorts.com

টি হেভেন রিসোর্ট

শ্রীমঙ্গলের টি হেভেন রিসোর্টে টুইন শেয়ার, ফ্যামেলি ডিলাক্স, ছায়াবৃক্ষ, হামহাম আর ক্যামেলিয়া নামের এক্সিকিউটিভ রুম ছাড়াও কাপল ডিলাক্স রুম রয়েছে। এই রিসোর্টে রুম নিতে খরচ হবে ২০০০ থেকে ৫৫০০ টাকা।
যোগাযোগের ঠিকানা:
মোবাইল নম্বর : ০১৭০৮-০৩৩৫৪৪, ০১৭০৮-০৩৩৫৪৫, ০১৯৩৮৩০৫৭০৬

শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট

প্রাকৃতিক সৌন্দৰ্য্য মন্ডিত শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট-এ ইকনমি রুমের নূন্যতম ভাড়ার পরিমাণ দুই হাজার টাকা এবং এসি বাংলোর সর্বোচ্চ ভাড়া আট হাজার টাকা।
যোগাযোগের ঠিকানা:
মোবাইল নম্বর : ০১৭১২-০৭১৫০২, ০৮৬২৬-৭১২০৭
ই-মেইল: tearesort@yahoo.com

নিসর্গ ইকো-রিসোর্ট

নিসর্গ রিসোর্ট “নীরব” ও “লিচুবাড়ী” নামে দুটি অংশে বিভক্ত। এই দুই অংশের বিভিন্ন ক্যাটাগরির রুম নিতে খরচ হবে ২৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা।
যোগাযোগের ঠিকানা:
মোবাইল নম্বর: +৮৮০১৭৬৬৫৫৭৭৮০
ই-মেইল: info@nishorgocottage.com
ওয়েবসাইট: nishorgocottage.com

শান্তি বাড়ি ইকো রিসোর্ট

শান্তি বাড়ি ইকো রিসোর্টে ২টি বাঁশের কটেজ এবং একটি দু’তলা কাঠের বাড়ি রয়েছে । কাঠের বাড়িতে প্রতি কক্ষের ভাড়া ৩০০০ এবং বাঁশের কটেজের রুম ভাড়া ২০০০ টাকা।
যোগাযোগের ঠিকানা:
মোবাইল নম্বর: ০১৭১৬-১৮৯২৮৮

সুইস ভ্যালি রিসোর্ট

মৌলভীবাজারের শমশেরনগরে অবস্থিত সুইস ভ্যালি রিসোর্ট। এই রিসোর্টের কটেজগুলোতে দুই থেকে চার হাজার টাকায় নানা রকম কক্ষ ভাড়া পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: পর্যটকের আকর্ষণ পৃথিমপাশা নবাব বাড়ি

রবিরবাজার জামে মসজিদ

গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্ট

শ্রীমঙ্গল উপজেলার রামনগরে গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্ট এন্ড ট্যুর রিসোর্ট-টি অবস্থিত। থাকার জন্য গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্টের রুম নিতে খরচ করতে হবে দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত।
যোগাযোগের ঠিকানা:
মোবাইল নম্বর: ০১৭০৯-৮৮৩৩৩৩, ০১৬১৬-১৬৪০৬৬
ই-মেইল: reservation@grandselimresort.com
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: grandselimresort.com

শ্রীমঙ্গলে রয়েছে বেশ কিছু আবাসিক হোটেল

হোটেল মহসিন প্লাজা

শ্রীমঙ্গল শহরের কলেজ রোডে অবস্থিত হোটেল মহসিন প্লাজায় রাত যাপন করতে আড়াই হাজার টাকা থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা।
মোবাইল নাম্বার: +৮৮০১৭১১-৩৯০০৩৯

হোটেল মেরিনা

শ্রীমঙ্গল শহরে অবস্থিত হোটেল মেরিনায় ১ রাত থাকতে আপনাকে ৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হবে।

যোগাযোগ

মোবাইল নাম্বার: +৮৮০১৭৮৭-৩৩৩৫৪৪

হোটেল আল-রহমান

হোটেল আল রহমানে ৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় অনায়াসেই ১ রাত্রি যাপন করতে পারবেন।
মোবাইল নাম্বার: +৮৮০১৭১২-৩১৭৫১৫

টি টাউন রেস্ট হাউস

টি টাউন রেস্ট হাউসে ১ রাতের জন্য গুনতে হবে ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকা।
মোবাইল নাম্বার: +৮৮০১৭১৮-৩১৬২০২

হোটেল ইউনাইটেড রেসিডেন্সিয়াল

ঢাকা সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হোটেল ইউনাইটেড রেসিডেন্সিয়ালে ১ রাত কাটাতে ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা গুনতে হবে।
মোবাইল নাম্বার: +৮৮০১৭২৩-০৩৩৬৯৫

কোথায় খাবেন

শ্রীমঙ্গল দর্শনীয় স্থান ভ্রমনে আসলে যদি রিসোর্টে না থাকেন তাহলে আপনার খাবারের প্রয়োজন হবে। এর জন্য শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত পানসী রেস্টুরেন্টের বেশ সুনাম রয়েছে এই রেস্টুরেন্টে আপনি অনেক কম দামে ভালো মানের খাবার পাবেন। তাছাড়া হোটেল সাতকড়া, কুটুম বাড়ী, গ্র্যান্ড তাজ সহ ভালো মানের আরো হোটেল রয়েছে যেগুলোতে ভালো খাবার পাওয়া যায়, এছাড়া নীল কন্ঠ কেবিনের বিখ্যাত ৭ রঙের চায়ের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।

খেয়াল রাখবেন

শ্রীমঙ্গল দর্শনীয় স্থান, হোটেল ও রিসোর্ট ভ্রমনের সময় আপনার সাথে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র যেমন, টাকার ব্যাগ, কাপড়ের ব্যাগ, মোবাইল ফোন, ক্যামেরা ও অন্যান্য জিনিসপত্র সাবধানে রাখবেন। অপরিচিত কাউকে কোন কিছু শেয়ার না করাই ভালো।

শ্রীমঙ্গলের আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান

  • বাংলাদেশের একমাত্র চা গবেষণা ইনস্টিটিউট শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত।
  • বাংলাদেশের ২য় চা নিলাম কেন্দ্র শ্রীমঙ্গলে চালু করা হয়েছে।
  • শ্রীমঙ্গল বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে শীতলতম স্থান।