প্রযুক্তি কি? বিভিন্ন প্রকার প্রযুক্তির সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা ও ব্যবহারিক বিস্তৃতি

প্রযুক্তি কি? পৃথিবীতে মানুষের উৎপত্তির শুরু থেকেই যান্ত্রিক, প্রাকৃতিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক নানান প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। ২১ শতকে এসে প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া আমাদের একটি দিনও কল্পনা করা যায় না। যেদিকেই তাকানো হোক না কেন সর্বত্রই কোন না কোন ভাবে প্রযুক্তির ছোঁয়া রয়েছে। কিন্তু অত্যাবশ্যকীয় এই প্রযুক্তি কি, তার সঠিক ব্যাখ্যা জানা নেই আমাদের অনেকেরই।

তাই প্রযুক্তি কি, প্রযুক্তির প্রকারভেদ, প্রযুক্তির ইতিহাস, বিভিন্ন প্রকার প্রযুক্তির সংজ্ঞা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী জানতে পারবেন এই লেখা থেকে।

প্রযুক্তি কি? ব্যাখ্যা কর

প্রযুক্তি হলো বিজ্ঞানের বিশেষায়িত জ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে প্রকৌশলী ও ব্যবহারিক বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা হয়। কোন পণ্যের উৎপাদন, সেবার কার্যকারিতা উন্নয়ন, অন্যান্য ব্যবহারিক কার্যক্রম পরিচালনা বা বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিই হলো প্রযুক্তি। যেমন: পানির পাম্পের মাধ্যমে সেচ দেওয়া, গাড়ির ইঞ্জিন, মোবাইল, কম্পিউটার ইত্যাদি।

অন্যভাবে, প্রযুক্তি বলতে আমরা সাধারণত কতিপয় পদ্ধতি বা কৌশলের সমন্বয়ে গঠিত জ্ঞানকে বুঝে থাকি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি বলতে শুধুমাত্র যান্ত্রিক বিষয়গুলো বোঝানো হলেও, যান্ত্রিক, তাত্ত্বিক, জ্ঞানভিত্তিক সকল প্রকার পদ্ধতিই একেটটি প্রযুক্তি।

প্রযুক্তি কাকে বলে?

বিভিন্ন গবেষণার প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো যন্ত্র বা প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত দক্ষতাকে ব্যবহার করে কতিপয় কাজ সহজীকরণের মাধ্যমকে প্রযুক্তি বলে। সহজভাবে বলতে গেলে, বিজ্ঞানের আবিষ্কার কে মানুষের দৈনন্দিন নানা কাজে প্রায়োগিক কাজে লাগানোর উপায়কে প্রযুক্তি বলে।

বর্তমানে আধুনিক এই প্রযুক্তির যুগে সাধারণত কোন কম্পিউটার, মেশিন, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকা কোন বিষয়কে আমরা প্রযুক্তি বলে জেনে থাকি।

প্রযুক্তির প্রকারভেদ

প্রযুক্তির নির্দিষ্ট কোন প্রকারভেদ নেই‌। আধুনিক কাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় অব্দি নানান ধরনের প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। তবে ব্যবহারিক দিক থেকে বিবেচনা করে বর্তমান সময়ের প্রযুক্তি গুলোকে প্রধানত ৮ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

  • তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology)
  • যোগাযোগ প্রযুক্তি (Communication Technology)
  • ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি (Electronic Technology)
  • পারমাণবিক প্রযুক্তি (Nuclear Technology)
  • জৈব প্রযুক্তি (Biotechnology)
  • চিকিৎসা প্রযুক্তি (Medical Technology)
  • যান্ত্রিক প্রযুক্তি (Mechanical Technology)
  • উপকরণ প্রযুক্তি (Materials Technology)

এছাড়াও আরো বহুভাবে প্রযুক্তিকে ভাগ করা যায়।

প্রযুক্তির ইতিহাস | বিভিন্ন যুগে মানুষের আবিষ্কৃত প্রযুক্তি

প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ নানান প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে এবং তাদের প্রত্যেকটি উদ্ভাবনের পেছনে রয়েছে বিশেষায়িত জ্ঞান। ধারণা করা হয়, প্রায় ২.৫ মিলিয়ন বছর পূর্ব থেকে ১০ হাজার বছর পূর্ব পর্যন্ত সময়কালে (পুরা প্রস্তর যুগে) মানুষ পাথরের সরঞ্জাম, আগুন, পোশাক ও আশ্রয় ইত্যাদি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছিল।

প্রায় ১০ হাজার বছর পূর্ব থেকে ৩০০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত মানুষ ধাতব সরঞ্জাম, শক্তি ও পরিবহন, চৌবাচ্চা স্থাপন করেছিল। ৩০০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে মধ্যযুগীয় সময়ে মানুষ ঘোড়ার লাগাম ও ঘোড়ার খুরের নাল, লিভার, স্ক্রু, পুলি, ঠেলাগাড়ি, বায়ুকল, ঘড়ি ইত্যাদি আবিষ্কার করে। রেনেসাঁ যুগে আবিষ্কৃত হয় প্রিন্টিং প্রেস। অষ্টাদশ শতাব্দীতে শিল্প বিপ্লবের মধ্য দিয়ে কৃষি, খনন, কঠিন ধাতু, উৎপাদন ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের উন্নয়ন সাধিত হয়।

দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবকালীন সময়ে আবিষ্কৃত হয় বৈদ্যুতিক মোটর, আলোর বাতি ইত্যাদি। পরবর্তীতে চিকিৎসা, রসায়ন, পদার্থ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিদ্যার উদ্ভব হয়। আধুনিককালে এসে আবিষ্কৃত হতে থাকে- টেলিগ্রাফ, টেলিফোন, রেডিও ও টেলিভিশন ইত্যাদি। ২০ শতকের শেষের দিক থেকে বর্তমান সময়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগুলো, যেমন- ট্রানজিস্টর, নিউক্লিয়ার অস্ত্র, সমন্বিত বর্তনীর, নিউক্লিয়ার ফিশন, ওপেন হার্ট সার্জারি, স্টেম সেল থেরাপি ইত্যাদি আবিষ্কৃত হয়েছে। বর্তমানে মানবসভ্যতার উন্নয়নে প্রযুক্তির ইতিহাসে অনবরত নতুন নতুন উদ্ভাবন যুক্ত হচ্ছে।

বিভিন্ন প্রকার প্রযুক্তি

জৈব প্রযুক্তি কি

যে প্রযুক্তির সাহায্যে কোন অনুযায়ী, জীবকোষ বা তার অংশ বিশেষ ব্যবহার করে নতুন কোন ভিন্ন ধর্মী বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীব এর উদ্ভাবন করা কিংবা উক্ত জীব থেকে প্রক্রিয়াজাত করে কোন উপজাত দ্রব্য প্রস্তুত করা যায়, তাকে জৈব প্রযুক্তি বলে।

ন্যানো প্রযুক্তি কি

যে প্রযুক্তিতে, পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে ধাতব বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগিয়ে অতি ক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করা হয়, সেই প্রযুক্তিকে ন্যানো প্রযুক্তি বলা হয়। সাধারণত, ১ মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে- ১ ন্যানো মিটার বলা হয়। আর সেই ন্যানোমিটারেই ন্যানো প্রযুক্তির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উফশী প্রযুক্তি কি

উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও অন্যান্য আধুনিক কৃষি উপকরণ এর সাহায্যে কৃষিকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতিকে উফশী প্রযুক্তি বলা হয়। এক্ষেত্রে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ, ফসলের জন্য উপকারী সার, কীটনাশক, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ইত্যাদি প্রযুক্তির উদ্ভাবন করা হচ্ছে প্রতিনিয়তই। এই উফশী প্রযুক্তি কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আধুনিক প্রযুক্তি কি

আধুনিককালে মানুষের জীবনকে সহজ করে তোলার জন্য যে সকল নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হচ্ছে, সেগুলোই আধুনিক প্রযুক্তি। ১৬ শতাব্দীর দিকে, রেনেসাঁর যুগে আধুনিক প্রযুক্তির সূচনা হয়। পরবর্তীতে, ১৮ শতাব্দীর মধ্যভাগে শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার লাভ হয়।

আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে আরো সহজ এবং দক্ষতাসম্পন্ন করে তুলেছে। এখনকার আধুনিক প্রযুক্তি বলতে জীবনমানকে সহজ করার জন্য পণ্য, প্রক্রিয়া এবং সিস্টেমের ডিজাইন, বিকাশ এবং উন্নতিতে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান এবং উদ্ভাবনের প্রয়োগকে বোঝায়। আমাদের জীবনযাপন, কাজ, যোগাযোগ এবং এমনকি চিন্তাধারায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে এই প্রযুক্তি।

লাগসই প্রযুক্তি কি

লাগসই প্রযুক্তি হলো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের জন্য উপকারী এবং সংগতিপূর্ণ প্রযুক্তি। সাধারণত, যেসকল প্রযুক্তি একটি দেশের আর্থসামাজিক পরিবেশের জন্য সঙ্গতিপূর্ণ হয়, সেগুলোকে লাগসই প্রযুক্তি বলে।

জিন প্রযুক্তি কি

জিন প্রযুক্তি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোন জীবের জিনোম পরিবর্তন করা যায়। একটি জীবের ডিএনএতে অন্য কোন জীবের কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ডিএনএ স্থাপনের মাধ্যমে কোন জীবের জিনোমকে নিজের সুবিধানুযায়ী সাজিয়ে জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটানোই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

সার্বিকভাবে জিন প্রযুক্তি বলতে, কোন জিনের অভিব্যক্তি বোঝা, প্রাকৃতিক জেনেটিক বৈচিত্রের সুবিধা নেওয়া, জিন পরিবর্তন করা এবং নতুন হোস্টে জিন স্থানান্তর করার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপকে বোঝানো হয়। জিন সকল জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে পাওয়া যায়, তাই এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে প্রেরণ করা হয়।

জিন প্রযুক্তিকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়। এটি মূলত বায়োকেমিস্ট্রি, মাইক্রোবায়োলজি, ইমিউনোলজি, মলিকুলার বায়োলজি, জেনেটিকস ইত্যাদি বিষয়ের একটি সমন্বিত রূপ।

শিক্ষা প্রযুক্তি কি

যে প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষাভিত্তিক কার্যক্রমের উন্নয়ন ও সহজিকরণ করা হয়, সেগুলোই শিক্ষা প্রযুক্তি। এই শিক্ষা প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্তমান যুগের শিক্ষাকে প্রযুক্তির তাই নিয়ে আসা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে বলতে গেলে, শিক্ষা সম্পর্কিত জ্ঞান, শিক্ষণ ও প্রশিক্ষণের উৎকর্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক যে জ্ঞানের ব্যবহার করা হয়, তাকে শিক্ষাপ্রযুক্তি বলে।

শিক্ষাবিদ রিচমন্ডের মতে, “শিক্ষার উদ্দেশ্য অনুসরণ করে উপযুক্ত শিখন পরিবেশ ও শিখন কৌশল প্রস্তুত করতে যে বিজ্ঞান জড়িত, তা-ই শিক্ষা প্রযুক্তি।

অধ্যাপক শিবকুমার মিত্রের মতে, “শিক্ষা প্রযুক্তি হলো কৌশল এবং পদ্ধতির বিজ্ঞান, যার সাহায্যে শিক্ষার লক্ষ্য অর্জন করা যায়।”

যান্ত্রিক প্রযুক্তি কি?

যান্ত্রিক প্রযুক্তি হলো প্রকৌশল বিজ্ঞানের এমন একটি বিষয়, যেখানে যান্ত্রিক ব্যবস্থাসমূহ নকশা, উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের যান্ত্রিক সূত্রগুলো ব্যবহার করা হয়। মূলত যান্ত্রিক প্রযুক্তি বা মেকানিক্যাল টেকনোলজি হলো একটি হ্যান্ডস-অন কারিকুলাম প্রযুক্তি।

এ ধরনের প্রযুক্তিগুলো শিল্পে ব্যবহৃত বর্তমান প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসে এবং যান্ত্রিক নকশার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। গতিবিজ্ঞান, তাপগতিবিজ্ঞান, বলবিজ্ঞান এবং শক্তি সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট জ্ঞান নিয়ে এই প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হয়।

লিথোগ্রাফি প্রযুক্তি কি?

লিথোগ্রাফি প্রযুক্তি হলো পাথর, দস্তা বা অ্যালুমিনিয়ামের পাত ব্যবহার করে ছাপানোর পদ্ধতিকে।

সাধারণত লিথোগ্রাফিক পদ্ধতিতে, ছাপার কাজে কোন অক্ষরের পরিবর্তে কাগজের উপর কালি দিয়ে লিখে কাগজটিকে এক ধরনের চুনা পাথরের উপর চাপ দিয়ে পাথরের উপর ছাপ দেওয়া হয়। তারপর সেই লেখা কিছুটা ফুলে উঠলে এবং কালি দিয়ে চাপলে সেই লেখার ছাপ কাগজে উঠে আসে।

হার্প প্রযুক্তি কি?

প্রযুক্তির জগতে হার্প হলো একটি বৈজ্ঞানিক প্রকল্প যার লক্ষ্য আয়নোস্ফিয়ার বা ওজন স্তরের বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ সম্পর্কিত প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহার করা হয়। এই ‘আয়নোস্ফিয়ার’ নামক স্থানটি পৃথিবী পৃষ্ঠের উপরে প্রায় ৫০-৪০০ মাইল প্রসারিত একটি নিরপেক্ষ পর্দা।

হার্প প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে-

  • চৌম্বকীয় শক্তি তৈরি করা হয়।
  • প্লাজমা মেঘ তৈরি করা যায়।
  • জলচ্ছাস এর মতো বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ তৈরি করা যায়।
  • অনেক বড় বড় মাপের ভূমিকম্পও সৃষ্টি করা যায়।
  • এক দেশে বসে থেকে, অন্য একটি দেশের মধ্যে কৃত্রিম প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

এই হার্প প্রযুক্তি এতোটাই শক্তিশালী যে, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দেশগুলোতে এর মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। এটি একটি ক্ষতিকারক প্রযুক্তি। কারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তিটি মানবজাতির জন্য হুমকিস্বরূপ যুদ্ধ, দাঙ্গা হাঙ্গামায় ব্যবহার করা হয়।

শেষকথা

উপরোক্ত আলোচনা থেকে প্রযুক্তি কি এবং বিভিন্ন প্রকার প্রযুক্তির সংজ্ঞা সহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জানা যায়। বর্তমানে আমরা মানব সভ্যতার আধুনিক যুগে বসবাস করছি। ভবিষ্যতে এটি আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য সর্বদাই সচেষ্টা রয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানের বিশেষিত জ্ঞানের প্রয়োগ করে উদযাপিত হচ্ছে হাজারো নতুন নতুন প্রযুক্তি।